অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় - অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়

অনলাইনে ইনকাম করার ১০০ টি সহজ উপায় নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম। বর্তমান এই আধুনিক যুগে এসে ইন্টারনেট বা অনলাইন মাধ্যম থেকে টাকা আয় করতে চায়না এমন কাওকে হয়ত খুজেই পাওয়া যাবেনা। এই সময়ে বেশীরভাগ মানুষেই অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চায়।
ইনকাম
ইনকাম
কেননা বাংলাদেশের বেকারত্বের হার বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেকে রয়েছে অনলাইনে নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করে নিয়েছে। যার ফলে তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান এবং একই সঙ্গে বেকারত্ব দূর হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আছেন ফ্রিলান্সিং করার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। 

এছাড়াও আয় করার পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে। আর এই সমস্ত কিছুই শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে অনলাইন থেকে ইনকাম করার কারণে। তাই চলুন আজকের এই আর্টিকেলে অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়। 

অনলাইনে ইনকাম করার ১০০ টি সহজ উপায় সম্পর্কে জানা যাক। আপনার প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনি যেকোন একটি কাজ শিখে অনলাইনে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করুন। যেমনঃ
  • ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম
  • অনলাইন সার্ভে করে অনলাইন ইনকাম
  • ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে আয়
  • আর্টিকেল লিখে আয়
  • অনলাইন ব্যবসা করার মাধ্যমে আয়
  • অনলাইনে শিক্ষা প্রদান করে আয়
  • ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম
  • ইউটিউব থেকে ইনকাম
  • অনলাইনে ফটোগ্রাফি করে ইনকাম
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন ইনকাম
আপনি আমাদের এই আর্টিকেলটি থেকে কাজগুলোর নাম জানার পাশাপাশি কিভাবে এবং কোন জায়গা থেকে কাজগুলো শিখবেন। এবং কোন ওয়েবসাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা যাবে সেটি সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

তাই আপনার মূল্যবান সময়টুকু দিয়ে আর্টিকেলটি পড়ুন এবং নিজের ক্যারিয়ারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করুন।

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় পেশা গুলোর মধ্যে একটি পেশা হল ফ্রিলান্সিং। ফ্রিলান্সিং পেশাটি অধিক জনপ্রিয়তা পাওয়ার কারণ হচ্ছে নিজের খেয়াল খুশিমত কাজ করা যায় কারণ ফ্রিলান্সিং পেশাটি হচ্ছে একটি মুক্ত পেশা। বাংলাদেশের অনেকেই এখন ফ্রিলান্সিং পেশার সাথে জড়িয়ে গেছে। 

যেকোন ভাল একটি কাজ শিখে সেটি নিয়ে ফ্রিলান্সিং করলে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানুষের কাজের ধরণও পরিবর্তন হচ্ছে। সেই সাথে নিজে কাজগুলো না করে অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে। বিভিন্ন দেশের ফ্রিলান্সারদের দিয়ে কাজগুলো সম্পাদন করিয়ে থাকে। 

যার ফলে অনলাইন জগতে ফ্রিলান্সারদের চাহিদা এখন অনেক উর্ধে। ব্যাসিক লেভেলে কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারলে এবং একই সঙ্গে ইংরেজি পড়তে পারলেই যেকোন ব্যাক্তির দ্বারা ফ্রিলান্সিং করে মাসে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। 

বিশ্বে এখন অনেক মার্কেট প্লেস রয়েছে যেখানে ফ্রিলান্সিং করার মাধ্যমে টাকা আয় করা সম্ভব। যেমনঃ
  • ফ্লায়ার ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন
  • লোগো ডিজাইন
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ভিডিও এডিটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং
এছাড়াও এসইও এর মত হাজার প্রকার কাজ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে আপনারা একটি কাজ শিখে নিতে পারলে অনায়াসেই ফাইবার, ফ্রিলান্সার এর মত বড় বড় মার্কেট প্লেস থেকে কাজ করার মাধ্যমে সহজে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে আয়

বর্তমান সময়ে ভিডিও কনটেন্ট মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কারণ ইউটিউব এবং ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম যায়। শিক্ষা মূল্যক ভিডিও থেকে শুরু করে বিনোদন সব ধরণের ভিডিও এখন আপলোড হচ্ছে। এবং সেই সমস্ত ভিডিও এর মালিকেরা অনেক বেশী টাকা ইনকাম করছে। 

এমন অনেকে রয়েছে ক্যামেরার সামনে বসে খাওয়া দাওয়া করে। সেই সমস্ত ভিডিও গুলো ফেসবুক এবং ইউটিউবে আপলোড করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করছে। বর্তমান এমন কোন ধরণের ভিডিও নেই যে, ইউটিউব এবং ফেসবুকে পাওয়া যায় না।

আপনি যে ধরণেরই সমস্যার সম্মুখীন হউন না কেন, ইউটিউবে অথবা গুগলে সার্চ করার সাথে সাথে তার সমাধান কিভাবে করতে হবে। সেই সম্পর্কিত ভিডিও অবশ্যই পেয়ে যাবেন। তাই ঠিক একইভাবে আপনাকে তাদের মত ভিডিও তৈরি করতে হবে।

আপনি যে বিষয়ে জানেন ও বুঝেন সেই বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করা শুরু করুণ। এবং একই ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউব এবং টিকটকের মত সকল সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আপলোড করা শুরু করুন। ভিডিও আপলোড করার জন্য ফেসবুকে নিজের প্রফাইল কিংবা একটি নতুন পেজ তৈরি করে সেখানে আপনাকে ভিডিও আপলোড করতে হবে। 

এছাড়া ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার জন্য একটি চ্যানেল তৈরি করতে হবে এবং ভিডিও আপলোড করতে হবে। যখন আপনার ভিউ পাওয়া শুরু হবে। এবং সমস্ত কাইটেরিয়া পূরণ হবে তখন মোনিটাইজেশন পেলে আপনার ভিডিওতে অ্যাড দেখানো শুরু হবে এবং অ্যাড থেকে রেভিনিউ জমা হবে। 

আপনি চাইলেই ইউটিউবে সার্চ করে কিভাবে চ্যানেল তৈরি করতে হয়। কিভাবে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং কিভাবে ভিডিও এডিটিং করতে হবে এই সমস্ত কিছুই আপনি বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন।

অনলাইনে শিক্ষা প্রদান করে আয়

সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষা ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। কারণ এখন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও ঘরে বসে মোবাইল কিংবা কম্পিউটার ব্যবহার করে ক্লাসে উপস্থিত হওয়া যায়। এবং যেকোন বিষয় সার্চ করলেই খুজে পাওয়া যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এখন অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে ভাল মানের টাকা আয় করছে। 

এখন চাইলেই সরাসরি টিউশনে না গিয়েই ঘরে বসে কোর্স করার মাধ্যমে নিজের শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছে হাজার হাজার কোর্স বিক্রি করছে। আপনি চাইলেই এমন একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করতে পারেন। এমন একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করতে হলে অনেক টাকার দরকার হবে এমন টা নয়। 

একজন বিগিনার হওয়ার ফলে নিজের পক্ষে হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নিজেই একটি ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণীর জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা শুরু করুন এবং যখন দেখবেন পপুলার হয়েছেন। তখন ভাল শিক্ষকদের কাছে থেকে আপনি কোর্স তৈরি করে নিয়ে সেগুলো বিক্রি করতে পারবেন। 

এছাড়াও ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে মনিটাইজেশন থাকলে সেখান থেকে ভাল মানের টাকা আয় করা সম্ভব হবে। তাই শিক্ষামূলক ভিডিও তৈরি করার মাধ্যমে আপনি ভাল মানের টাকা আয় করতে পারবেন।

আর্টিকেল লিখে আয়

ইন্টারনেট আবিস্কার হওয়ার পরে ঠিক যখন থেকে ওয়েবসাইটের প্রচলন আসে। তখন থেকেই মূলত আর্টিকেল রাইটিং অনেক বেশী জনপ্রিয়তা পাওয়া শুরু করে। আর্টিকেল বিষয়টি জানতে হলে অবশ্যই একটু বেশি মনোযোগ দিতে হবে, এই যে আপনি এই ব্লগটি পড়ছেন এটি হচ্ছে একটি আর্টিকেল। 

গুগলে সার্চ করলে যে, হাজার হাজার ওয়েবসাইট চলে আসে। এবং হাজার ধরণের সমস্যা সম্পর্কিত পেজ চলে আসে সেই সমস্ত পেজ গুলোতে প্রবেশ করলে বিভিন্ন ধরণের তথ্য পাওয়া যায়। আর এগুলোকেই বলা হয়ে থাকে আর্টিকেল।আপনি চাইলেই নিজে এমন ওয়েব পেজ তৈরি করে সেখানে লেখালেখি করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। 

আর্টিকেল রাইটিং করে কয়েকটি পন্থায় টাকা আয় করা যায় সেগুলো মধ্যে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ব্লগিং। নিজের একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট বিল্ড করে সেখানে আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করা যায়। এক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং সেখানে আপনি যে বিষয় নিয়ে ইন্টারেস্টেড সেই বিষয় গুলো নিয়ে লেখা লেখি করতে হবে। 

এবং গুগল কিংবা অন্য কোন মাধ্যম থেকে অবশ্যই অ্যাডসেন্স নিতে হবে আর সেই অ্যাড থেকে টাকা আয় হবে। এছাড়াও আর্টিকেল রাইটিং শিখলে একই সঙ্গে কাজ করলে এসইও শেখা যায়। বর্তমানে নিজের ব্যবসায় কিংবা ব্রান্ডিং করার জন্য আর্টিকেল লিখে থাকে। এবং অনেকে ফ্রিলান্সার রয়েছেন যারা আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে ফ্রিলান্সিং করে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করে থাকে। 

তাই আমি বলছি আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে আপনি নিজের একটি ভাল মানের ক্যারিয়ার তৈরি করে ফেলতে পারেন।

অনলাইন সার্ভে করে অনলাইন ইনকাম

জনপ্রিয় পেশার মধ্যে বর্তমানে অনালাইন সার্ভে আরও একটি জনপ্রিয় পেশা। সার্ভে বলতে হচ্ছে কোন কিছুর জরিপ করাকে বোঝানো হয়। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় অনেকে ধরণের প্রশ্ন করে থাকে এবং সেই সমস্ত প্রশ্ন ও প্রশ্নের উত্তর কিছু নির্ধারিত মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করার মাধ্যমে অনলাইন সার্ভে বলে থাকে। 

অনলাইনে বিভিন্ন ধরণের সার্ভে হয়ে থাকে যেমন কোন একটি কোম্পানির পন্য বা সার্ভিস সম্পর্কে অনলাইনে প্রশ্ন উত্তর হয়ে থাকে। এবং রেটিং দিতে হয় আর এটিকেও সার্ভে বলা হয়। এখন অনেক ফ্রিলান্সার রয়েছে যারা অনলাইনে সার্ভে করেই মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে থাকে। এখনও বাংলাদেশে অনলাইন সার্ভে বৈধতা পায়নি। 

যার ফলে প্রিমিয়াম ভিপিএন অথবা প্রক্সি ব্যবহার করার মাধ্যমে ইউনাইটেড স্টেট বা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশ গুলোর ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সার্ভে করা যায়। এবং সেই ইনকাম করা টাকা ব্যাংক অথবা কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়ে আসা যায়। আপনি হয়ত ভাবছেন বাংলাদেশে অনলাইন সার্ভের বৈধতা নেই। 

কিন্তু আপনি সার্ভে করলে সরকারীভাবে কোন প্রকার সমস্যা হবেনা কারণ ইন্টারন্যাশনালী ইহা কোন অবৈধ কাজ নয়। তাই আপনি চাইলে এই পেশাটি শিখে নিতে পারেন।

অনলাইনে ফটোগ্রাফি করে ইনকাম

আপনি যদি কোন কিছুর সুন্দর ছবি কিংবা কম্পিউটার মনিটরের জন্য ছবি ডাউনলোড করতে চান। তাহলে আপনারা গুগলে সার্চ করে থাকেন। আর গুগলে যে সমস্ত ছবি রয়েছে সেগুলো বেশীরভাগেই ফ্রি হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি হয়ত জানেন না এমন অনেক ছবি রয়েছে যেগুলো মানুষ টকা দিয়ে কিনে থাকে। 

সাটারস্টক সহ এখন অনেক গুলো ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ছবি বিক্রি হয়। বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে অনেক প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার রয়েছে যারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। এবং ছবি তুলে আর সেই সমস্ত ছবি গুলো অনলাইনে বিক্রি করে থাকে। প্রতিটি ছবি কিন্তু বেশ ভাল দামে বিক্রি হয়ে থাকে। 

যদি আপনার হাতে ভাল ক্যামেরার ফোন অথবা ক্যামেরা থেকে থাকে তাহলে আপনি চাইলে ছবি তুলে সেই ছবি গুলো বিক্রি করে ভাল মানের টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি চাইলে কিছু ছবি তুলে সেগুলো আপলোড করে দেখতে পারেন ছবি গুলো সেলিং হয় কিনা?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন ইনকাম

অধিক কষ্ট ছাড়াই অনলাইন থেকে টাকা আয় করার মত একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বিশ্বের এখন অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অনলাইনে অন্য মার্কেটারদের দিয়ে তাদের পন্য গুলো বিক্রি করে থাকে। এবং সেই বিক্রির বিনিময়ে কিছু পরিমাণ লভ্যাংশ মার্কেটারদের সাথে শেয়ার করে থাকে। 

বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেকে দেশের যুবকেরা এখন অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে প্রতি মাসে লাখ টাকা ইনকাম করছে। বর্তমান যেহেতু ই-কমার্স এর যুগ তাই যেকোন পন্য মানুষ অনলাইন থেকে কিনতে অধিক সাচ্ছন্য বোধ করে থাকে। আর এই সুযোগে অ্যামাজোন এবং আলিবাবার মত ওয়েবসাইট গুলোর পন্য সেল করে অনেকেই ভাল মানের টাকা আয় করছে। 

শুধু যে পন্য বিষয়টি তা নয় কিন্তু কারণ সফটওয়্যার থেকে শুরু করে যেকোন গ্যাজেট সব কিছুই বিক্রি হয়। আর সেই সমস্ত পন্য গুলো বিক্রি করে অ্যাফিলিয়েট প্রগ্রাম থেকে ভাল মানের আয় করা সম্ভব। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করতে হলে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান অ্যাফিলিয়েট প্রগ্রাম প্রভাইড করে থাকে। 

তাদের অ্যাফিলিয়েট প্রগামে জয়েন হয়ে অবশ্যই নিজের পছন্দ মত পন্য বাছাই করে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ইউটিউইব চ্যানেল ও ফেসবুক গ্রুপ এবং নিজের প্রফাইলে আপলোড করে ভাল মানের ইনকাম করা সম্ভব। কেও যদি ধৈর্য ধারণ করে নিয়মিত পোস্ট করতে থাকে এবং পোস্ট গুলো সঠিকভাবে এসইও করে। 

কিন্তু তাও এক সময় দেখা যাবে ভাল মানের ইনকাম করা সম্ভব হচ্ছেনা। এতে ভেঙ্গে পড়া যাবে না যেকোন কাজ প্রথম দিকে সফলতা না মিললেও ধৈর্য ধারণ করে কাজ চলতে থাকলে একদন সফলতা অবশ্যই আসবে।

অনলাইন ব্যবসায় করার মাধ্যমে আয়

বর্তমান এই সময়টা যেহেতু অনলাইনের যুগ তাই চাইলেই ঘরে বসে অনলাইন পন্য সেলিং করার মাধ্যমে ভাল মানের টাকা আয় করা সম্ভব। জামা কাপড় থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় এক কথায় সকল প্রকার পন্য অনলাইন থেকে কেনা যায়। বাংলাদেশের অনেকেই আছেন ফেসবুক এবং ওয়েবসাইট ব্যবহারে অনালাইনে ব্যবসায় করার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার দাঁড় করিয়ে নিয়েছে। 

অনেক তরুন উদ্যক্তা রয়েছে যারা এখন ফেসবুক পেজ থেকে ব্যবসায় করার মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবসায় শুরু করেছে। চাইলে আপনি নিজেও এই ব্যবসায় শুরু করতে পারেন।প্রতিনিয়ত মানুষের চাহিদার গুলো পরিবর্তন হচ্ছে। এবং যে জিনিসপত্র গুলো দোকানে গিয়ে সরাসরি কিনতে হত এখন সেই জিনিসপত্র গুলো অনলাইনে ঘরে বসেই সহজে কেনা যাচ্ছে। 

এখন চাইলেই রান্না করা ছাড়াই নিজের পছন্দের খাবার অনলাইন থেকে অর্ডার করা যায়। এবং কিছু সময়ের মধ্যেই গরম খাবার সহজে হাতে পাওয়া যাচ্ছে। এখন অনলাইন মাধ্যম হওয়ার কারণে এতটাই সহজলভ্য হয়েছে যে, চাইলে যেকোন কিছু হাতে পাওয়া খুবই সহজ। 

তাই আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে নিজেই অনলাইনে ব্যবসায় করার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করে নিতে পারেন। অনলাইনে ব্যবসায় শুরু করতে হলে প্রথমেই পন্য বাছাই করতে হবে। আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছুদিন পন্য নিয়ে রিসার্চ করতে হবে। এবং লক্ষ্য রাখতে হবে কোন কোন পন্য এখন অনলাইনে বেশী সেলিং হয়। 

আর অবশ্যই চেষ্টা করবেন ইউনিক কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করার। এখন অনেকেই অনলাইনে শশ্য পন্য যেমনঃ
  • মাছ
  • মুরগি
  • পাঞ্জাবি
  • প্যান্ট
  • মধু
  • আতর
  • টুপি
  • টি-শার্ট
  • ঘড়ি
  • শার্ট
  • বই ইত্যাদি।
পন্য বিক্রি করছে, তাই আপনি একটি ইউনিক মানে নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করুন। তাহলে অতি দ্রুত সফল হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

ইউটিউব থেকে ইনকাম

বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার মধ্যে সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হল ইউটিউব কারণ ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে মনিটাইজেশন নেয়া যায়। এবং গুগল অ্যাড থেকেও ইনকাম করা যায়। বর্তমান অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা শুধুমাত্র ইউটিউব থেকে লাখ টাকা আয় করে থাকে। 

ইউটিউবে এমন কোন ক্যাটাগরি নেই যে, সেই অনুযায়ী ভিডিও পাওয়া খুজে পাওয়া যায় না। তাই চাইলেই আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ সেই বিষয়ে ভিডিও তৈরি করার মাধ্যমেও খুবই ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।ইউটিউবে শুধু যে মনিটাইজেশন থেকে ইনকাম করতে হবে বিষয়টি তেমন নয়। 

অনেক ধরণের প্রমোশনের মাধ্যমে ভাল মানের টাকা আয় করা যায়। যে সমস্ত ইউটিউবারদের চ্যানেলে অনেক পরিমাণ সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন কোম্পানি প্রমোশন করার জন্য মেসেজ ও কল দিয়ে যোগাযোগ করে। এই প্রমোশন করার মাধ্যমেও ভাল অংকের টাকা আয় করা সম্ভব।

ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম

সময়ের পরিবর্তন হওয়ার কারণে প্রযুক্তি একদম সবার হাতে হাতে পৌঁছে গিয়েছে। হয়ত তার দরুনে আজ দোকানের পরিবর্তে এখন ব্যবসায় হচ্ছে ফেসবুকে। একটি পেজ তৈরি করার মাধ্যমে কিংবা নিজের ফেসবুক প্রফাইলে প্রডাক্টের ছবি আপলোড করে সেগুলো বিক্রি করা সম্ভব। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। 

শুধুমাত্র যেকোন প্রডাক্টের ছবি আপলোড করলেই বিক্রি হবেনা। কারণ ছবি আপলোড করলেই আপনার ছবি কাঙ্ক্ষিত কাস্টমারের কাছে যাবেনা। যার ফলে সেল হবেনা। তাই পন্য গুলো কাঙ্ক্ষিত কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য মার্কেটিং করতে হয়। লোকালভাবে কোম্পানির পন্য গুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য এসআর অথবা মার্কেটিং অফিসার হায়ার করতে হয়। 

তারা লোকালভাবে অনেক পন্য মার্কেটিং করার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়।ঠিক একইভাবে ফেসবুকে নতুন একটি পন্য মানুষের কাছে দিয়ে বিক্রি করতে হলে সেগুলো অবশ্যই মার্কেটিং করতে হয়। মার্কেটিং করার জন্য পোস্ট গুলোকে অবশ্যই সঠিভাবে ক্যাম্পেইন এবং বুস্ট করতে হয়। এবং সঠিকভাবে বুস্ট করতে পারলে সঠিক কাস্টমারের কাছে যায়।

আর সেগুলো সেলিং করে ব্যবসায়ীরা ভাল মানের টাকা আয় করতে পারে।এখন ফেসবুকে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অন্যদের পন্য সেল করে দিয়ে টাকা আয় করে থাকে। বিশেষ করে এখন অনেক প্রফেশনাল ফেসবুক মার্কেটার রয়েছে যারা ফেসবুকে রিসার্চ করার মাধ্যমে সঠিক পন্য সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে থাকে। এবং তারা এগুলোর বিনিময়ে কিছু পরিমাণ টাকা চার্জ করে থাকে। 

এছাড়াও ফ্রিলান্সিং মার্কেট প্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে মোটামুটি ভাল মানের টাকা আয় করা সম্ভব। তাই আপনি চাইলে ফেসবুক মার্কেটিং শেখার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে ভাল মানের টাকা আয় করার পাশাপাশি ফ্রিলান্সিং করে টাকা আয় করতে পারবেন। 

তাই আমার মতে আপনি এই পেশাটিকে বেছে নিতে পারেন। কেননা ফেসবুক মার্কেটিং তেমন কোন কঠিন বিষয় নয়। আপনি চাইলে মাত্র কয়েকদিন সময় ব্যয় করে এই কাজটি শিখে নিতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বর্তমান আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url